
পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন বলেছেন,,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরাই নেশা মুক্ত ও চাঁদা মুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবো। প্রয়োজনে হালাল উপায়ে ব্যবসা বাণিজ্য করেন তাতে ক্ষতি নাই। কিন্তু বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে যেভাবে ব্যবসার নামে চুরি এবং ডাকাতি হয়েছে এই ধরনের ব্যবসা করা যাবে না।’
শনিবার( ৮ জুলাই) সন্ধায় গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ও লালচামার এলাকা পরিদর্শন শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
নেতা কর্মীদের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসেছে তাই বলে নিজেকে গরম দেখানো যাবে না, মোটরসাইকেলের গতি ১০০ করা যাবে না। মুরুব্বীদেরকে চেয়ার ছেড়ে দিতে হবে।সালামকালম দিতে হবে নাহলে আমাদের অবস্থার উন্নতি হবে না।
মন্ত্রী বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন কোন প্রতীকে ভোট দিলে জান্নাতে যাওয়া যায় না।জান্নাত পেতে হলে অবশ্যই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ-রোজা আদায় করতে হবে। আপনি মাহফিলে গিয়ে দুই লাখ টাকা দান করলেন আবার পাশের বাড়ির গরীব মানুষের এক বিঘা জমি দখল করলেন ইসলাম এটাকে সমর্থন মনে করেনা। আমরা ইসলামের আলোকে সহিভাবে চলার চেষ্টা করব।
ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন,বিগত দিনে এই এলাকার প্রচুর মানুষ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাই আপনি বিএনপি করেন বা জামায়াতে ইসলাম করেন ঠিকমতো বেড়াতে পারেন নাই বাজার ঘাট করতে পারেন নাই।আজকে ঠিকমত থাকতে পারছেন ঘুমাতে পারছেন ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারছেন কাজেই এটি মাথায় রেখে রাজনীতিতে সহনীয় পর্যায়ে নিয়ে আসতে হবে যত কথা আছে সংসদে সব সমাধান হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় যে ওয়াদা করেছিলেন সেই জুলাই সনদ প্রতিটি অক্ষরে অক্ষরে পালন করব।
তিস্তাপাড়ের মানুষের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,’তিস্তাপাড়ের মানুষের জন্য যেখানে স্থায়ীভাবে প্রকল্প নেওয়া উচিত যাতে করে বাড়িঘর আর নদীগর্ভে বিলীন না হয় সেখানে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ক করা হবে।তারেক রহমান নির্দেশনা দিয়েছেন বর্ষার পরে যেখানে গ্রোইন বাঁধ নির্মাণ করা প্রয়োজন সেগুলো অতি শীঘ্রই বাস্তবায়ন করা হবে।’
এর আগে সকাল ১০:৪৫ মিনিট চিলমারির রমনা নৌঘাটে পৌঁছান প্রতিমন্ত্রী। পরে নৌপথে চিলমারীর কাচকোল,রৌমারির সুখের বাতি,উলিপুরের নামাজের ঘর, রাজীবপুরের কোদালকাটি এলাকার ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।এরপর গাইবান্ধা জেলার ব্রহ্মপুত্র যমুনা নদীর বাম তীরে সদর উপজেলার চিথুলিয়া দিগড়,ফুলছড়ি উপজেলার জিগাবাড়ি ও ডান তীরে ফুলছড়ি উপজেলার উড়িয়ায় যমুনা নদী টেকসই ব্যবস্থাপনা প্রকল্প -১ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর ও লালচামার এলাকা পরিদর্শন করেন তিনি।পরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন প্রতিমন্ত্রী।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশ উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের উত্তরাঞ্চলীয় প্রধান ড. সরফরাজ বান্দা,উপজেলা নীর্বাহী কর্মকর্তা ইফফাত জাহান তুলি সহ বিএনপির স্হানীয় নেতৃবৃন্দ।
Leave a Reply