1. admin@timesofpabna.com : admin :
  2. ceo@kalersangram.com : kalersangram W : kalersangram W
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫০ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ:
মৃত্যুর ৮ দিনের মাথায় মজিদকে জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ, পঞ্চগড়ে ক্ষোভ হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধীদের লংমার্চ অযৌক্তিক: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ডিআইজি আবদুল মাবুদকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ রংপুরে একের পর এক সংঘর্ষ, হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ সাংবাদিক অপু খন্দকারের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা ৯ বছর পর খারিজ রংপুর স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রেজাউল ইসলাম রেজা পঞ্চগড় জেলা পরিষদ প্রশাসক তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন,পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ রংপুরে স্বাধীনতা প্রজেক্টের আওতায় সারাদিন ব্যাপী বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত চেক জালিয়াতি মামলায় একাধিক সাজা প্রাপ্ত আসামি মুন্না গ্রেফতার। ছাত্রদলের নতুন সেক্রেটারি পদে আলোচনায় শামীম আক্তার শুভ
শিরোনাম:
মৃত্যুর ৮ দিনের মাথায় মজিদকে জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ, পঞ্চগড়ে ক্ষোভ হাজার হাজার লিটার তেল পুড়িয়ে বিরোধীদের লংমার্চ অযৌক্তিক: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ডিআইজি আবদুল মাবুদকে ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগ রংপুরে একের পর এক সংঘর্ষ, হামলা ও হত্যার হুমকির অভিযোগ সাংবাদিক অপু খন্দকারের বিরুদ্ধে ১৫ কোটি টাকার মানহানি মামলা ৯ বছর পর খারিজ রংপুর স্বর্ণশিল্পী শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনে সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রেজাউল ইসলাম রেজা পঞ্চগড় জেলা পরিষদ প্রশাসক তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন,পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ রংপুরে স্বাধীনতা প্রজেক্টের আওতায় সারাদিন ব্যাপী বুটক্যাম্প অনুষ্ঠিত চেক জালিয়াতি মামলায় একাধিক সাজা প্রাপ্ত আসামি মুন্না গ্রেফতার। ছাত্রদলের নতুন সেক্রেটারি পদে আলোচনায় শামীম আক্তার শুভ

মৃত্যুর ৮ দিনের মাথায় মজিদকে জেলা পরিষদের প্রশাসক নিয়োগ, পঞ্চগড়ে ক্ষোভ

  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

পঞ্চগড়ের সাবেক মেয়র ও জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ মো. তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুর শোক কাটতে না কাটতেই জেলা পরিষদের প্রশাসক পদে এম এ মজিদের নিয়োগ নিয়ে শুরু হয়েছে তীব্র আলোচনা ও ক্ষোভ।

৩১ আগস্ট তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুর পর মাত্র আট দিনের মাথায় ৭ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব তাহমিনা আক্তার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এম এ মজিদকে জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

৮ সেপ্টেম্বর এম এ মজিদ জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেছেন। সরকারি জেলা পরিষদের ওয়েবসাইটেও তাঁর যোগদানের তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ উল্লেখ করা হয়েছে।

 

প্রশ্ন উঠেছে, একজন দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক নেতা, জনপ্রতিনিধি ও জেলা পরিষদের দায়িত্বে থাকা তৌহিদুল ইসলামের মৃত্যুর শোক ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার আগেই এত দ্রুত কেন নতুন প্রশাসক নিয়োগ দেওয়া হলো?

স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের একাংশের অভিযোগ, এম এ মজিদের পঞ্চগড় জেলা বিএনপির রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রামে তেমন দৃশ্যমান ভূমিকা নেই। একই সঙ্গে তাঁর অতীত কর্মকাণ্ড নিয়েও নানা বিতর্ক ও অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি তাদের।

 

বিশেষ করে প্রয়াত ব্যারিষ্টার জমিরউদ্দিন সরকারের বিরুদ্ধে কার্পেট, তৈল ও ফ্রিজ চুরিসহ  একাধিক মামলা হওয়ার পেছনে মজিদের ভূমিকা ছিল, এমন অভিযোগও স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে।

এ বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রোকনুজ্জামান জাপান  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে পোস্ট করে লেখেন, পঞ্চগড় জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে মো. আব্দুল মজিদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পঞ্চগড়বাসী। সাবেক স্পিকারের এপিএস থাকাকালে তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, টেন্ডারবাজি ও কার্পেট চুরিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অথচ গত ১৭ বছরে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের আন্দোলন-সংগ্রামে তাঁর দৃশ্যমান ভূমিকা ছিল না। সাবেক জেলা পরিষদ প্রশাসকের মৃত্যুর মাত্র সাত দিনের মাথায় তাঁকে কেন এত দ্রুত নিয়োগ দেওয়া হলো এ নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। তাঁর নিয়োগের প্রক্রিয়া ও অভিযোগগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা হয়েছে কি না, তা জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

 

তিনি আরো লিখেন, কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি, নিয়োগটি পুনর্বিবেচনা করে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং জনগণের আস্থা ও স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হোক।

পঞ্চগড় জেলার বিএনপির আহবায়ক জহিরুল ইসলাম কাচ্ছু বলেন, তাকে কিভাবে জেলা পরিষদের প্রশাসক বানানো হলো সেটা আমার বোধগম্য নয়। সে প্রয়াত ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার এর পিএস ছিল। ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার যে কয়েকটি মামলা খেয়েছে তার জন্য সেটাই দায়ী।

সে কোন আন্দোলনে ছিল না, দলীয় কোন মিটিং মিছিলে তার কোন উপস্থিতি নেই। ১২ই ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের পরেও তাকে বিএনপি’র দলীয় অফিসেও দেখা যায়নি। তার টার্গেট ছিল ব্যারিস্টার নওশাদ জমির যদি এমপি বা মন্ত্রী হয় তার পিএস হবেন। তার কোন জনসমর্থন নেই। সে একাই চলেন। সে জামাত ইসলামের একজন সচিবের সহযোগিতায় তদবির করে এই পদ নিয়েছে। জেলায় তার এই প্রশাসক হওয়ার বিষয়ে কেউ জানে না।

পঞ্চগড় জেলা পরিষদ জেলার উন্নয়ন, জনকল্যাণ ও সরকারি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার সঙ্গে এই প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই প্রশাসক নিয়োগে রাজনৈতিক আনুগত্যের পাশাপাশি সততা, গ্রহণযোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা এবং বিতর্কমুক্ত ভাবমূর্তি বিবেচনা করা উচিত এমন দাবি উঠেছে।

 

পঞ্চগড় বিএনপির নেতাকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের  দাবি, বিতর্কিত ব্যক্তিকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে জেলা পরিষদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। তারা অবিলম্বে এ নিয়োগ পুনর্বিবেচনা করে একজন যোগ্য, গ্রহণযোগ্য ও বিতর্কমুক্ত ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
Theme Designed By FriliX Group